২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, শনিবার

রাজাকারের তালিকায় নেই! তবুও কেন ফাঁসি দেওয়া হল জামায়াত নেতাদের

আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০

| ডেস্ক রিপোর্টঃ

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ধীনতার ৪৮ বছর পর প্রথম ধাপে রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ তালিকা প্রকাশের পর বিতর্ক বাড়ছেই। রাজাকারের এ তালিকায় কমপক্ষে ১৭ মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে। রয়েছে আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতার নামও।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে আদালতের রায়ে সরকার যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে, তাদের মধ্যে আলোচিতদের নামই নেই এ তালিকায়। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

গত ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজাকার, আলবদর ও আল-শামস বাহিনীর সদস্যের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় নেই— যুদ্ধাপরাধী হিসেবে সাজাপ্রাপ্ত মতিউর রহমান নিজামী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (সাকা চৌধুরী), আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, কাদের মোল্লা, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামানসহ অনেকের।

তাহলে কি তারা সত্যিই রাজাকার ছিলেন না? তারা আসলেই কি সরকারের আক্রোশের শিকার? এমনটাই মনেকরেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ!

কিছু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর নেতাদের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী এবং তাদের জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে যেই কোন আন্দোলনে তাদের ডাকে মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসত।

এ দিকে রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম আসায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মঙ্গলবার তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যা পেয়েছি তাই প্রকাশ করা হয়েছে। ভুল-ভ্রান্তি অনেক বেশি হলে এ তালিকা প্রত্যাহার করা হবে। আর ভুলের পরিমাণ কম হলে তালিকায় ভুলবশত যাদের নাম এসেছে, সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে। প্রয়োজন হলে তারা আদালতেও যেতে পারেন।

রাজাকারের তালিকা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষকরাও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ এ তালিকা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে শহীদদের স্বজন ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানরা জানিয়েছেন, এই তালিকা থেকে নাম কাটাতে আদালতে যাওয়াও অপমানজনক।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন