১লা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার

জিয়ার নামে কার লাশ দাফন হয়েছে জানা নেই : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০

| Faruk

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে সংসদ এলাকায় কার মরদেহ এনে দাফন করা হয়েছে তা জানা নেই বলে দাবি করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেছেন, ‘সেখানে সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের কথিত কবর আছে। কিন্তু আমরা যতদূর জানি, হত্যাকারীরা তার লাশ জ্বালিয়ে দিয়েছিল। কেউ তার সন্ধান পায়নি। এখন কার লাশ এনে দাফন করা হয়েছে তা জানা নেই’। লুই কানের নকশা বহির্ভূত হওয়ায় সেটি সংসদ এলাকা থেকে অপসারণের জন্য তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জাতীয় সংসদ নিয়ে লুই কানের ম্যাপ আছে। সেখানে উল্লেখ আছে- এখানে কী থাকবে, আর কী থাকবে না। কিন্তু এখানে কয়েকটি কবর আছে। যারা কখনো আমাদের স্বাধীনতার পক্ষে ছিল না। সেখানে সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের কথিত কবর আছে। কিন্তু আমরা যতদূর জানি হত্যাকারীরা তার লাশ পুড়িয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছিল। কেউ তার সন্ধান পায়নি। এখন কার লাশ এনে দাফন করা হয়েছে তা জানা নেই।’

সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের মতো বঙ্গবন্ধুর নামে আন্তজার্তিক পুরস্কার প্রবর্তনের দাবি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক শিক্ষক বঙ্গবন্ধুর নামে এ বছর যেন একটি পুরস্কার প্রবর্তন করতে পারি তার অনুরোধ করছি। যেমনিভাবে নোবেল পুরস্কার সারা বিশ্বব্যাপী চালু রয়েছে, তেমনিভাবে বঙ্গবন্ধুর নামে পুরস্কার চালুর প্রস্তাব করছি।’ ইউনেস্কোর মাধ্যমেও বঙ্গবন্ধুর নামে পুরষ্কার প্রবর্তনের দাবি জানান তিনি।

ধর্মীয় সভার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ধর্মসভার নামে ইসলামের বিপক্ষে যারা কথা বলে তাদের তালিকা তৈরি করে বিচার হওয়া বাঞ্ছনীয়।’

জামায়াতে ইসলামীকে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিরোধীকারী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই দলকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হোক। এ দেশে তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। বিশ্বের কোনো দেশেই স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি করার অধিকার থাকে না। অথচ আমরা এখনো জামাতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করতে পারি নাই। তাই অনতিবিলম্বে এই দলকে নিষিদ্ধ করার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন